রাজবাড়ী, ১৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, রোববার, ২৯ মে ২০২২

কানাডা থেকে ভোজ্যতেল আমদানির প্রস্তাব

প্রকাশ: ১১ মে, ২০২২ ১০:৫১ : অপরাহ্ণ

প্রিন্ট করুন

নিউজ ডেস্ক: রাজকন্ঠ ডট কম

কানাডা থেকে ভোজ্যতেল ক্যানোলা আমদানির প্রস্তাব দিয়েছে ঢাকাস্থ কানাডার হাইকমিশনার। অন্যদিকে বাণিজ্যমন্ত্রী বাংলাদেশে ক্যানোলা ভোজ্যতেলের কারখানা স্থাপনের আহ্বান জানিয়েছেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বুধবার (১১ মে) সচিবালয়ে তার অফিস কক্ষে ঢাকায় নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার ড. লিলি নিকোলসের সাথে মতবিনিময়ের সময় এসব কথা বলেন। এসময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি) নুসরাত জাবীন বানু উপস্থিত ছিলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, কানাডা বাংলাদেশের বন্ধু রাষ্ট্র। কানাডার সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। কানাডা বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির বড় বাজার। উভয় দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিপুল সুযোগ রয়েছে। এ সুযোগকে কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে একশটি স্পেশাল ইকোনমিক জোন গড়ে তোলার কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। বেশ কয়েকটির কাজ শেষ পর্যায়ে। বাংলাদেশ সরকার বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বেশকিছু সুযোগ সুবিধার প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। এখানে বিনিয়োগ করলে কানাডা লাভবান হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিপুল পরিমাণ আলু উৎপাদন হয়। এগুলো রপ্তানির সুযোগ রয়েছে। এ ধরনের কৃষিপণ্যের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে গবেষণার কাজে কানাডা সহায়তা করলে বাংলাদেশ উপকৃত হবে। বাংলাদেশ চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে মার্চ সময়ে কানাডায় রপ্তানি করেছে ১,০৭০.৫৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য। একই সময়ে বাংলাদেশ কানাডা থেকে আমদানি করেছে ৪২৮.৮৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য। কানাডায় বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ছে।

কানাডার হাইকমিশনার ড. লিলি নিকোলস বলেন, কানাডা বাংলাদেশের সাথে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী। কানাডায় বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের বিপুল চাহিদা রয়েছে। কানাডার ক্যানোলা ভোজ্যতেল বাংলাদেশে পর্যাপ্ত পরিমাণে রপ্তানি করার সুযোগ রয়েছে। উভয় দেশের জি-টু-জি পদ্ধতিতে বাংলাদেশ ট্রেডিং করপোরেশন অফ বাংলাদেশ (টিসিবি) এর মাধ্যমে আমদানি করতে পারে। এ বিষয়ে কানাডা সরকার সবধরনের সহযোগিতা দেবে।

কানাডিয়ান হাইকমিশনার বাংলাদেশে তৈরি পোশাকের প্রশংসা করে বলেন, উভয় দেশের ব্যবসায়ীরা পারস্পরিক সফরের মাধ্যমে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে পারে। তিনি বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রশংসা করে বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নের সামর্থ্য রয়েছে।