রাজবাড়ী, ১৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, রোববার, ২৯ মে ২০২২

ঈদ যাত্রায় ভোগান্তি রোধে মহাসড়কে তৎপর হাইওয়ে পুলিশ

প্রকাশ: ২৩ এপ্রিল, ২০২২ ৭:৫৪ : অপরাহ্ণ

প্রিন্ট করুন

॥জহুরুল ইসলাম হালিম॥রাজকন্ঠ ডট কম

রাজবাড়ীর আহলাদিপুর হাইওয়ে থানা পুলিশ আসন্ন ঈদ যাত্রায় ভোগান্তি রোধে মহাসড়কে সড়ক দূর্ঘটনা ও চাঁদাবাজি রোধসহ শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তৎপরতা বাড়িয়েছে।

হাইওয়ে থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাট থেকে বসন্তপুর সাইনবোর্ড এলাকা পর্যন্ত ১৮কিলোমিটার এবং রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের গোয়ালন্দ মোড় থেকে বড়পুল পর্যন্ত ১০কিলোমিটার এলাকার দায়িত্বে রয়েছে আহলাদিপুর হাইওয়ে থানা। প্রতিদিন এই সড়কে দেশের দক্ষিণ অঞ্চলের ২১জেলার হাজার হাজার যানবাহন ও মানুষের চলাচল। ঈদ এলেই এই সংখ্যা বেড়ে যায় কয়েকগুণ। বাড়তি গাড়ির চাপের কারণে মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনা, চাঁদাবাজি ও ডাকাতিসহ বিভিন্ন ধরণের নৈরাজ্যের আশঙ্কাও বেড়ে যায়। তাই ঈদকে সামনে রেখে এই সড়ক দুটিতে আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তৎপরতা জোরদার করেছে আহলাদিপুর হাইওয়ে থানা পুলিশ। একইসঙ্গে মহাসড়কে সড়ক দূর্ঘটনার অন্যতম বাহন তিন চাকার যান চলাচল রোধেও গুরুত্ব দিয়েছে হাইওয়ে পুলিশ।

যার ফলে ০১ এপ্রিল থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত আহলাদিপুর হাইওয়ে থানা পুলিশ মোট ১৬৫টি গাড়ির বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেছে। এরমধ্যে থ্রিহুইলার রয়েছে ৭৩টি। গত মাসে এই থানায় মোট মামলার সংখ্যা ছিল ৩৪৩টি। এছাড়াও মহাসড়কে বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো, ফিটনেস ও রেজিস্ট্রেশনবিহীন গাড়ি চালানো এবং লাইসেন্স ও হেলমেটবিহীন মোটরসাইকেল চালানোসহ বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে ট্রাক, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধেও নিয়মিত মামলা রুজু করা হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে আহলাদিপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন বলেন, আসন্ন ঈদে ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক এবং রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়ক দিয়ে যাত্রীবাহী বাস ও পণ্যবাহী ট্রাকসহ সকল প্রকার বৈধ যানবাহন যাতে নির্বিগ্নে চলাচল করতে পারে এবং মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনা, চাঁদাবাজি ও ডাকাতি রোধ ও যেকোনো ধরণের নৈরাজ্য বন্ধসহ দৌলতদিয়া ঘাটকে যানজটমুক্ত রাখতে জেলা পুলিশের পাশাপাশি হাইওয়ে থানা পুলিশও নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে। এছাড়াও মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ তিন চাকার যানবাহন চলাচল। যে কারণে মহামান্য হাইকোর্ট ও সরকার মহাসড়কে এসব যান চলাচলকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন। আমরাও এসকল যানবাহনের বিরুদ্ধে জিরোটলারেন্স ঘোষণা করেছি। এর পাশাপাশি অন্যান্য যানবাহন চলাচলের ব্যাপারেও হাইওয়ে পুলিশের কঠোর নজরদারি রয়েছে। বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালিয়ে যাতে কেউ দুর্ঘটনা ঘটাতে না পারে সেজন্য সড়কে স্পিডগান ব্যবহার করা হচ্ছে। বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালালে স্পিডগানের মাধ্যমে শনাক্ত করে মামলা ও জরিমানা আদায় করা হচ্ছে। জনস্বার্থে আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।