রাজবাড়ী, ১১ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, রোববার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১

ঘূর্ণিঝড় ইয়াস: ইউনিয়নে পৌঁছেছে ওষুধ, মেডিকেল টিম গঠন

প্রকাশ: ২৩ মে, ২০২১ ১১:৫০ : অপরাহ্ণ

নিউজ ডেস্ক:রাজকন্ঠ ডট কম

ঘূর্ণিঝড় ইয়াস মোকাবিলায় বাগেরহাটে ব্যা্পক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বাগেরহাট জেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থা সতর্ক রয়েছে।

দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে সভা অব্যাহত রয়েছে। উপকূলে অবস্থিত হওয়ায় জেলার মোংলা, রামপাল, শরণখোলা ও মোরেলগঞ্জকে অধিক ঝুকিপূর্ণ বিবেচনা করা হয়েছে। এ সব উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসা সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

চারটি উপজেলায় ৪৬টি মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ইয়াস মোকাবিলায় সরকারি-বেসরকারি সংস্থার পাশাপাশি জনপ্রতিনিধিরাও তৎপর রয়েছে। মোংলা, রামপাল, মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলায় তিন শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাগেরহাট রেড ক্রিসেন্টের ইউনিট প্রধান এএসএম গোলাম কবির।

শরণখোলা উপজেলার রায়েন্দা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আছাদুজ্জামান মিলন বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা করা হয়েছে। প্রত্যেক ওয়ার্ডে সভা চলছে। ঝড় সম্পর্কে সকলকে সতর্ক থাকতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলো খুলে দিয়ে প্রয়োজনীয় আলো ও পানির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আশ্রয়কেন্দ্রে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে স্বেচ্ছাসেবকদের বলা হয়েছে। এছাড়াও সকল জনপ্রতিনিধি, চৌকিদার ও বিভিন্ন দূর্যোগ মোকাবেলায় কাজ করা তালিকাভুক্ত স্বেচ্ছাসেবকদেরও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ইয়াসের আঘাতের ক্ষতি কমাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে।

ইয়াস মোকাবেলায় চিকিৎসা বিষয়ক প্রস্তুতি সম্পর্কে বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডা. কে এম হুমায়ুন কবির বলেন, জেলার সব হাসপাতাল ও স্বাস্থকেন্দ্র প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। বিদ্যমান স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পাশাপাশি জেলার অধিক ঝুঁকিপূর্ণ চারটি উপজেলার ৩৬ ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভা রয়েছে। এসব ইউনিয়ন ও পৌরসভায় একটি করে মেডিকেল টিম প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়াও চারটি উপজেলার প্রত্যেকটিতে দুটি করে অতিরিক্ত মেডিকেল টিম প্রস্তুত করা হয়েছে। যারা জরুরি পরিস্থিতিতে স্বাস্থসেবা দিতে ভূমিকা রাখবে। প্রত্যেকটি ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসা সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক আ ন ম ফয়জুল হক বলেন, মোরেলগঞ্জ, শরণখেলা, মোংলা, ও রামপাল উপজেলাকে অধিক সতর্ক রয়েছে। এসব উপজেলায় জারের মাধ্যমে সুপেয় পানি, শুকনো খাবার ও দূর্যোগ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় মালামাল সংরক্ষণ করা হচ্ছে। স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত করা হয়েছে। সরকারি-বেসরকারি সব সংস্থা, জনপ্র্রতিনিধিসহ সব বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে ইয়াস মোকাবিলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।