রাজবাড়ী, ৯ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০

মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন ঠিকাদার রহিম মোল্লা

ঠিকাদারের কাছে টাকা দাবী ইঞ্জিনিয়ার ও প্রতিষ্ঠান প্রধানের ॥ বন্ধ রয়েছে উন্নয়ন কাজ নষ্ঠ হচ্ছে মালামাল

প্রকাশ: ৯ নভেম্বর, ২০২০ ৯:৪০ : অপরাহ্ণ

॥ স্টাফ রিপোর্টার ॥রাজকন্ঠ ডট কম

জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন চলছে ব্যাপক হারে উন্নয়নের মহাসড়কে বাংলাদেশ, এ উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় রাজবাড়ী জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জিল্লুল হাকিম এমপি’র প্রচেষ্ঠায় পাংশা উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একাধীক নতুন ভবন নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। এ সকল কাজের দেখভাল করে চলছেন শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর। পাংশা উপজেলায় উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ জাফর আলী উন্নয়ন কাজ দেখভাল করে চলছেন বিভিন্ন সাইডে। পাংশা উপজেলায় ৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নির্মান কাজ করে চলছেন ফরিদপুর অঞ্চলের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মের্সাস আনোয়ার হোসেন নামক ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান তার প্রতিনিধি হয়ে রাজবাড়ী সদর উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান প্রবীণ আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ রহিম মোল্লা পাংশা সিদ্দিকিয়া ফাজিল মাদ্রাসার একটি ভবন, পুইজোর এজিএম উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি ভবন ও মাছপাড়া বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি ভবন নির্মান কাজ করে চলছেন। ইতি মধ্যে মাছপাড়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভবন নির্মান কাজ শেষে করেছেন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান, ঠিকাদারের অভিযোগ ভবন নির্মান কাজ শেষে হলেও অজ্ঞাত কারনে ভবনটি বুঝে নিচ্ছেনা উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ জাফর আলী। ঠিকাদার রহিম মোল্লা বলেন আমি একাধীক বার ওই ভবন বুঝে নেওয়ার কথা বলেছি কিন্তু স্কুলের প্রধান শিক্ষক জানিয়েছেন উপ-সহকারী প্রকৌশলী জাফর আলী তার সাথে কথা না বলে ভবন বুঝে না নিতে বলেছেন। পুইজোর হাইস্কুলে কাজ করার জন্য প্রায় ২লক্ষ টাকার মালামাল সেখানে রাখার পর রাতের আধারে কে বা কাহারা সেই মালামাল নিয়ে গিয়েছে এতে চরম ক্ষতির শিকার হয়েছেন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। সব শেষ পাংশা সিদ্দিকিয়া ফাজিল মাদ্রাসার ১ তলা ভবন নির্মান কাজ করছিল ঠিকাদার রহিম মোল্লার লোকজন বারংবার ঢালাই কাজের তারিখ দেওয়া হলেও কতৃপক্ষ তারিখ অনুযায়ী ঢালাই দিতে না দেওয়ায় গত ২৭ অক্টোবর ঠিকাদার রহিম মোল্লা এর সাইড ম্যানেজার জাহিদ হাসান উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ জাফর আলীর সাথে ধাক্কা ধাক্কির ঘটনা ঘটে এ নিয়ে জাহিদ হাসান সহ ৩ জনের নামে থানায় মামলা করে জাফর আলী এ মামলায় সকলেই জামিনে রয়েছেন। এ ঘটনায় ঠিকাদার রহিম মোল্লা বলেন আমার বেতন ভুক্ত কর্মচারী জাহিদ হাসানের সাথে যে ঘটনাটি ঘটেছে এ জন্য আমি দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চেয়েছি, কিন্তু আমার উপস্থিতি দেখিয়ে যে মামলা করা হয়েছে এটা সম্পূন্য আমাকে হেয় এবং হয়রানী করার জন্যই করা হয়েছে। একাধীকবার ঢালাই কাজের ডেট দিয়েও তারা ঢালাই না করায় আমার অনেক টাকার ক্ষতি হয়ে গেছে মালামাল নষ্ঠ হয়েছে এ ক্ষোভ থেকেই হয়ত জাহিদ হাসানের সাথে উপ-সহকারীর ওই ঘটনাটি ঘটেছে। তবে কেন এটা হলো সে বিষয়ে ঠিকাদার রহিম মোল্লা বলেন উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ জাফর আলীর চাহিদা মত চাওয়া টাকা দিতে ব্যার্থ হওয়ায় ঢালাই দেওয়া থেকে বিরত রাখা হয়েছে। ইতি মধ্যে জাফর আলীকে ৯৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে এর মধ্যে আমি নিজে উপজেলা চত্বর এলাকা থেকে তাকে ৩০ হাজার টাকা প্রদান করেছি। এবং সে আরো ২ লক্ষ টাকা দাবী করেছেন এই টাকা না দেওয়ায় আমার ঢালাই দিতে তারা অস্বীকৃতি জানিয়েছে। একই সাথে ওই প্রতিষ্ঠানের প্রধান তিনিও টাকা দাবী করেছেন তাদের ২০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে আরো টাকা তারা দাবী করে দাবীকৃত টাকা না দেওয়ায় উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান এক হয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা হয়রানী মুলক মামলা দায়ের করেছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ট ও নিরোপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে আইনের সহায়তা কামনা করি। উন্নয়নের স্বার্থে আমাদের অসম্পূন্য কাজ শেষ করার দাবী জানাচ্ছি। ঢালাই দেওয়ার কথা হলে আগেও ৪শত বস্তা সিমেন্ট আমি সাইডে নিয়ে আসি ঢালাই না হওয়ায় তা নষ্ট হয়ে গেছে, এবারও আমার ৪শত বস্তা সিমেন্ট সাইডে পড়ে রয়েছে যা নষ্ঠ হওয়ার উপক্রম হয়েছে আমি এ সকল বিষয়ের প্রতিকার কামনা করছি।

Facebook Comments