রাজবাড়ী, ১২ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০

মাছ দেওয়াকে কেন্দ্র করে

পাংশায় আনছার গং কর্তৃক হারেজ নামক এক ব্যক্তিকে হত্যার চেষ্টায় ধাওয়া দেওয়ার অভিযোগ

প্রকাশ: ২৮ অক্টোবর, ২০২০ ৮:৩৩ : অপরাহ্ণ

॥ মাসুদ রেজা শিশির ॥রাজকন্ঠ ডট কম

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার মৌরাট ইউনিয়নে কাজিয়াল নদীর কোঠায় মাছ দেওয়াকে কেন্দ্র করে আনছার গং কতৃক হারেজ নামের এক ব্যক্তিকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। হামলার শিকার হারেজ মন্ডল বলেন, আমার বাড়ি সংলগ্ন কাজিয়াল নদীর এক অংশ লিজ নিয়ে আমরা কয়েকজন মিলে মাছ চাষ করে আসছি। সেই নদীর কোঠায় মাছ দেওয়াকে কেন্দ্র করে আমার উপর এই পরিকল্পিত ভাবে হত্যার চেষ্টা চালানো হয়েছে। তিনি আরো বলে আমি এবং আমাদের এলাকার ২১২ জনের সম্মনয়ে খান্দুয়া (ভট্টাকাদির) একটি বিলে মাছ চাষ করি। সেই বিলে মঙ্গলবার ( ২৭ অক্টোবর) দুপুর ১ টার দিকে আমরা বেশ কয়েকজন মিলে মাছ ধরছিলাম এমন সময় ইউনিয়নের খান্দুয়া (ভট্টাকাদি) গ্রামের মৃত ইজনা মন্ডলে ছেলে আনছার মন্ডল ও তার দুই ছেলে উজ্জল মন্ডল, নয়ন মন্ডল এবং তার চাচাতো ভাই আব্দুল্লাহ সহ প্রায় ১৮- ২০ জন আমাকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যার চেষ্টা করে। বিষয়টি আমি টের পেয়ে দৌরে পালিয়ে কোনমত জানে বেচে যাই। এ ঘটনার সাথে সাথে আমি বিষয়টি আমাদের ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ মোঃ হাবিবুর রহমান প্রামানিককে জানিয়েছি।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) সরে জমিনে গিয়ে ঘটনার প্রত্যক্ষ দর্শীদের মাধ্যমে জানাযায় নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধীক ব্যক্তি বলেন আমরা বেশ কয়েকজন মিলে এক সাথে মাছ ধরছিলাম এমন সময় দেখি আনছার মন্ডল ও তার দুই ছেলে উজ্জল মন্ডল, নয়ন মন্ডল এবং তার চাচাতো ভাই আব্দুল্লাহসহ কোন কথাবার্তা ছাড়াই প্রায় ১৮ থেকে ২০ জন প্রকাশ্যে দিবালোকে দুপুরে দেশীয় অস্ত্র ও লাটি-শোঠা নিয়ে হারেজকে ধাওয়া করে এবং হারেজ বিষয়টি টের পেয়ে সেখান থেকে দৌড়ে পালায়। এ বিষয়ে আনছার মন্ডল এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমি আমার ছেলে সহ বেশ কয়েকজন লাটি-শোঠা নিয়ে হারেজকে ধাওয়া করেছি। তবে আমাদের কাছে কোন অন্ত্র ছিলোনা। এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য নাসির উদ্দিন গাজী বলেন উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া দেওয়ার বিষয়টি আমি শুনেছি। মৌরাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ হাবিবুর রহমান প্রামানিক বলেন-ঘটনার পরপরই হারেজ মোবাইল ফোনে বিষয়টি আমাকে জানিয়েছেন। তবে আমার ইউনিয়নে কোন সমস্যা ছিল না সম্প্রতি কিছু স্বর্ণগড়া এলাকায় বেশ কিছু বিচ্ছন্ন ঘটনায় আমরাও চিন্তিত। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে পাংশা মডেল থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি বলে থানা সুত্রে জানাগেছে।

Facebook Comments