রাজবাড়ী, ১১ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০

বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জিল্লুল হাকিমের নির্দেশনায়

সন্ত্রাস ও মাদকের বিরুদ্ধে মানববন্ধনে আসতে বাধাঁ দিয়েছে পুলিশ ॥ সংবাদ সম্মেলনে দাবী করেন উপজেলা আ’লীগের সভাপতি আতিউর রহমান নবাব

প্রকাশ: ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১০:০৭ : অপরাহ্ণ

॥স্টাফ রিপোর্টার ॥ রাজকন্ঠ ডট কম


রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলা আওয়ালীগের আয়োজনে সন্ত্রাস ও মাদকের বিরুদ্ধে সর্বস্তরের জনগণকে উদ্বুদ্ধ ও গণ আনন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষ্যে রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জিল্লুল হাকিমের নির্দেশনায় জেলা আওয়ামীলেগের অন্যতম সদস্য আশিক মাহমুদ মিতুলের সহযোগীতায় কালুখালী উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে স্বাস্থ্যবিধি মেনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মানব বন্ধনে আসতে নেতাকর্মীদের বিভিন্ন মোরে মোরে বাধা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও কালিকাপুর ইউপি চেয়ারম্যান আতিউর রহমান নবাব সহ উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতকর্মীরা। পরে কালুখালী উপজেলা আ’লীগের দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত নেতারা দাবি করেন পুলিশের এমন বাধাঁ উপেক্ষা করেও সাতটি ইউনিয়নের প্রায় ১০/১২ হাজার নারী-পুরুষ এতে অংশগ্রহণ করেন।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আশিক মাহমুদ মিতুলের সহযোগিতায় কালুখালী উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন রতনদিয়া, কালিকাপুর, বোয়ালিয়া, মদাপুর, মাঝবাড়ী, মৃগী, সাওরাইল একসাথে ঘন্টাব্যাপী এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধন শেষে কালুখালী উপজেলা আওয়ামীলীগের আয়োজনে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও কালিকাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আতিউর রহমান নবাবের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কালুখালী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলিমউজ্জামান চৌধুরী টিটো,পাংশা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো: ফরিদ হাসান ওদুদ, পাংশা উপজেলা আ’লীগের সভাপতি খন্দকার সাইফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক এ এস এম শফিউদ্দিন পাতা সহ সাত ইউনিয়নের আ’লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা।


সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন,কালুখালী উপজেলা আ’লীগের সভাপতি আতিউর রহমান নবাব।সম্মেলন শেষে রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য মো: জিল্লুল হাকিম টেলি কনফারেন্সে বলেন, সন্ত্রাস ও মাদকের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জিরো টলারেন্স রয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় আমরা একটি কর্মসূচির আয়োজন করি। কিন্তু প্রশাসন সেই কর্মসূচিতে নগ্ন হস্তেক্ষেপ করেছে। পুলিশ আমাদেরই একটি অংশ। অথচ এই কর্মসূচি বানচালের জন্য কিছু কিছু পুলিশ ষড়যন্ত্র করছে। কাদের স্বার্থ হাসিলের জন্য তারা কাজ করছে সেটি খতিয়ে দেখা হবে। কিছু দুর্নীতিবাজ পুলিশ সদস্য পুরো পুলিশবাহিনীকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। তারা জামাত-শিবির ও বিএনপিকে প্রশয় দিচ্ছে।
এ সময় মাঝবাড়ী ইউনিয়নের বেতবাড়ীয়া গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সস্তান যুবলীগের সদস্য রবিউল ইসলামের হত্যাকান্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং হত্যাকান্ডের সাথে প্রকৃত জড়িতদের আইনের আওতায় আনারও আহবান জানান এমপি জিল্লুল হাকিম।


এই মানববন্ধনে একাত্বতা ঘোষণা করে অংশগ্রহণ করেন আ’লীগের বিভিন্ন অংগ-সংগঠন, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ ও বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ কালুখালী শাখা, রতনদিয়া বাজার শিল্প ও বনিক সমিতি, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কালুখালী উপজেলা কমান্ডসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
তবে পুলিশের পক্ষ থেকে কোন বাধা দেওয়া হয়নি বলে দাবি করে কালুখালী থানার ওসি মো ঃ কারুল হাসান বলেন একই স্থানে দুটি পক্ষ মানব বন্ধনের জন্য অনুমতি চাইলে পুলিশের পক্ষ থেকে কাউকেই অনুমতি দেওয়া হয়নি। তাদের মানব বন্ধ করার কথা ছিল হাইওয়েতে যে হেতু তারা হ্ইাওয়ে রাস্তায় কেউ মনব বন্ধন করার জন্য আসেনি সে কারনে কাউকে বাধা দেওয়ার প্রশ্নই উঠেনা।

Facebook Comments