রাজবাড়ী, ১৪ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, রোববার, ২৯ নভেম্বর ২০২০

৭২ ঘন্টায় করোনা নিরাময়ের চ্যালেঞ্জ

প্রকাশ: ২৯ আগস্ট, ২০২০ ১:০৩ : অপরাহ্ণ

হাসান ভূঁইয়া, নিজস্ব প্রতিবেদক:

বিশ্বজুড়ে করোনার প্রাদুর্ভাবের দাপট এখনো অব্যাহত আছে। বিভিন্ন সময়ে এই ভাইরাসের টিকা আবিস্কারের কথা শুনা গেলেও তা এখনো বাজারজাত করা হয়নি। ঠিক সেই সময়ে মাত্র ৭২ ঘন্টার মধ্যে করোনা নিরাময় হয়ে সুস্থ হয়ে যাওয়ার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন সাভারের হেকিম চিকিৎসক তাশেক সরকার।

দীর্ঘ সময় গবেষণার পরে লাল মিয়া নামের এক স্থানীয় করোনা পজেটিভ রোগীর উপর ওষুধটি প্রয়োগ করেন তিনি। পরে ওই রোগী অন্য সকল ওষুধ বাদ দিয়ে তার দেয়া ভেষজ ওষুধ সেবন করেন মাত্র ৩ দিনের মাথায় সুস্থ হন বলেও দাবি করেন এই হেকিম চিকিৎসক। এরপর থেকেই তার এ ভেষজ ওষুধের খবরা-খবর চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে।

শুধু লাল মিয়া নয় রাজধানীর মোহাম্মদপুরের মাসুম রহমান ও সাভার পৌর এলাকার স্মরণিকা আবাসিক এলাকার বাসিন্দা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ৯৩ বছর বয়সী আবুল কাসেম ভুঁইয়াসহ প্রায় ২শ করোনা পজেটিব রোগী তার এই ওষুধ সেবনে সুস্থ হয়েছেন বলে দাবি করেন এই হেকিম চিকিৎসক। এছাড়াও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক, শহীদ সোহরাওয়ার্দ্দী হাসপাতালের চিকিৎসকসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ তার তৈরী ওই ভেষজ ওষুধ সেবন করেছেন বলেও দাবি করছেন তিনি।

ইন্টারনেট ও বই পুস্তক পড়ে দীর্ঘ সময় গবেষণা করে তুলশী পাতা, থানকুনী পাতা, আদা রসুনসহ ১৬টি মসলার উপাদান দিয়ে তিনি এই ভেষজ ওসুধ তৈরী করেছেন বলে জানান এই হেকিম।

গবেষণা আর নানান রকম আবিষ্কার উনার নেশা। যখনি উনার কোনো আবিষ্কার মানুষ অনুসরণ করে তখন উনি আনন্দ পান। হেকিম পেশায় ঢুকে বন্দী জীবন তার পছন্দ নয় তবে হেকিম থাকতে চান তিনি কিন্তু হেকিমী জীবন নয়। যেহেতু মানুষকে উপকার করাই উনার একমাত্র লক্ষ্য, তাই আল্লাহর সন্তুষ্টি তার এক মাত্র উদ্দেশ্যে। ঠিক এমনটাই জানান হেকিম সরকার তাশেক।

উল্লেখ্য যে, সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের যাদুরচর এলাকার আবুল কাশেম সরকারের ছেলে বিট্রিশ নাগরিক তাশেক সরকার। তিনি এর আগেও মানব বজ্র দিয়ে জৈবসার ও বায়োগ্যাস আবিষ্কার করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন।

Facebook Comments