রাজবাড়ী, ১২ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০

পুলিশ সদস্যকে ভালোবেসে প্রাণ দিলো কলেজ ছাত্রী ইতি

প্রকাশ: ১৩ আগস্ট, ২০২০ ৭:৩৩ : অপরাহ্ণ

॥মোঃ শামীম হোসেন ॥রাজকন্ঠ ডট কম

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার যশাই ইউনিয়নের পারভেল্লা বাড়ীয়া গ্রামের ফজলু মন্ডলের কলেজ পড়ুয়া মেয়ে ইতি খাতুন অবশেষে পুলিশ সদস্যকে ভাল বেসে নিজের প্রাণ দিয়ে প্রমান করে গেল ভালবাসা। ইতি খাতুন পাংশা আইডিয়াল গালর্স কলেজ থেকে এবছর এইচ এসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন।

ইতি খাতুন পাংশা উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের তারাপুর গ্রামের কুরবান আলীর ছেলে শাহবুদ্দিন অরফে কিরোনকে ভালবেসেছিল কিরোনও তাকে ভালবাসার অভিনয়ের জালে ফাসিয়ে ঘুড়াতে থাকে দিনের পর দিন, একাধীক বার ইতিকে বিয়ের প্রলভোন দিয়ে দিনের পর দিন ভালবাসার নাটক করেছে ওই পুলিশ সদস্য। কিন্তু ইতির ভালবাসার শেষ পরিনিত হল তার জীবন দিতে।

ইতির বোন মুশির্দা জানান গত ৬ আগষ্ট বিয়ের দাবী নিয়ে আমার বোন শাহবুদ্দিনের বাড়ীতে যায় সেখানে শাহবুদ্দিনের পরিবার আমার বোনকে অমানষিক নির্যাতন করে মারধর করার একপর্যায় ইতি জ্ঞ্যান হারিয়ে ফেলে পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য পাঠিয়ে দিয়েছিল। এরপর থেকেই আমার বোনটা সবসময় মন মরা হয়ে থাকত হটাৎ আমাদের চোখ ফাকি দিয়ে আমার বোন উড়না গলাই পেচিয়ে জীবন শেষ করার চেষ্ঠা করে পরে আমরা তাকে উদ্ধার করে পাংশা হাসপাতে নিয়ে গেলে সেখান থেকে তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয় রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। আমার বোনকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করেছে শাহবুদ্দিন ও তার পরিবার আমি আমার বোন হত্যার বিচার চাই।

ইতির চাচা আব্দুস সালাম বলেন আমার ভাতিজির ভাল জায়গা থেকে বিয়ে ঠিক হলেও তাকে ওই ছেলে বিয়ে ভেঙ্গে দিয়েছে বারবার। আমার ভাতিজিকে বিয়ের নাটক সাজিয়ে প্রতারনা করতে গিয়েও সেখান থেকে পালিয়ে গিয়েছিল ওই ছেলে আমার এই আদরের ভাতিজিকে সে কুষ্টিয়া থেকেও মারধর করেছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। পুলিশের চাকুরী করায় নানা ভাবে আমার ভাতিজিকে হয়রানীর চেষ্টা করেছে ইতি মানষিক ও শারিরিক ভাবে হয়রানীর শিকার হয়ে এ পথ বেছে নিয়েছে ভাতিজি। আমরা এই ঘটনার বিচার দাবী করছি।

এ ব্যাপারে পুলিশ সদস্য শাহবুদ্দিন এর বাড়ীতে গিয়ে তার পিতা মাতাকে না পাওয়ায় তাদের সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি। পুলিশ সদস্য শাহবুদ্দিন অরফে কিরোন কুষ্টিয়া জেলায় ট্র্যাফিক পুলিশে কর্মরত রয়েছে বলে জানাগেছে। এ রির্পোট লেখাকালীন সময়ে ইতির লাশ মর্গে রয়েছে।

Facebook Comments