• বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১, ০৫:০৯ অপরাহ্ন

কালুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা  ডা: খোন্দকার আবু জালালসহ ১৪ জন করোনায় আক্রান্ত

Reporter Name / ৩৭৫ Time View
Update : রবিবার, ২১ জুন, ২০২০

মোখলেছুর রহমান:রাজকন্ঠ ডট কম

কালুখালী উপজেলা স্বাস্থ ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা  ডা: খোন্দকার আবু জালাল ও ৩ জন চিকিৎসকসহ ৭ জন স্বাস্থ্য করোনা ভাইরাস আক্রান্ত হয়েছেন।এ নিয়ে আক্রান্তেন সংখ্যা একদিনে উপজেলা সবোচ ১৫ জন মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাড়ালো ৩০ জন।

শনিবার রাতে কালুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: খোন্দকার আবু জালাল নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি  জানান কালুখালীতে শনিবার স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে প্রাপ্ত ৪৮টি নমুনা পরীক্ষার ফলাফলে দিনেই ১৫ জন করোনা পজিটিভ এসেছে। এর মধ্যে আমি নিজেও রয়েছি। নিয়ে একদিনে সব্বোচ্চ ১৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।   এতে করে উপজেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাড়ালো ৩০ জনে।

কালুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মুহাম্মদ আবু জালাল জানান, শনিবার ৪৮ জনের রিপোর্ট পাওয়া গিয়েছে। এর মধ্যে ১৫ জনের পজিটিভ এসেছে। এতে আমার নিজেরও পজিটিভ এসেছে আমি ছাড়াও  রয়েছেন হাতপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা: আব্দুল্লাহ আল মামুন,ডা: জাকারিয়া, স্বাস্থ্য পরিদশক সুশীল রাহা,পরিসংখ্যান আকতারুজ্জামান, স্যানেটারি ইন্সপেক্টর সামছুন নাহার,নার্স সোনিয়ার স্বামী সালাম ফকির,বিদ্যুৎ মিস্ত্রি মোনা,হাসপাতাল পরিচ্ছন্ন কমী রোজিনা ও চম্পা,হাসপাতাল স্টাফ রনির ৮ মাস বয়সী শিশু আবু রাফি,এবং বোয়ালিয়া ইউপির বোয়ালিয়া গ্রামের জালাল শেখ ও ফাতেমা বেগম। এ পর্যন্ত কালুখালী উপজেলায় ৫৫৭ টা নমুনার মধ্যে  ৩০ জনের রিপোট পজিটিভ হলো।

এ দিকে কালুখালী উপজেলায় মহামারী করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় প্রথম সারীর  করোনা যোদ্ধা চিকিৎসক হিসেবে নিরলসভাবে কাজ করেছেন কালুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ খোন্দকার মুহাম্মদ আবু জালাল।

এর আগে রাজবাড়ী জেলা প্রশাসক দিলসাদ বেগম প্রধানমন্ত্রীর সাথে ভিডিও কনফারেন্সে কালুখালী ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালকে কোভিড-১৯ ডেডিকেটেড হাসপাতাল হিসেবে ব্যবহার করার অনুমতি নেন।

এর পর থেকে ডা: খোন্দকার আবু জালাল  জেলার পাংশা, কালুখালী, গোয়ালন্দ থেকে বিভিন্ন করোনা আক্রান্ত রোগী আসায় এ হাসপাতাল থেকে নিয়মিত চিকিৎসা প্রদান করে যাচ্ছেন।তিনি জীবন বাজি রেখে করোনাকে ভয় না করে মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।

এছাড়াও তিনি অল্প সংখ্যক চিকিৎসক নিয়ে করোনা রোগীদের সেবায়  ডাক্তার, নার্স ও অন্যান্য কর্মকর্তা কর্মচারীদের সাথে নিয়ে রাত দিন পরিশ্রম করে যাচ্ছিলেন ।

এ পযন্ত তিনি এই হাসপাতালে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা ২৮ জন  করোনা পজিটিভ রোগীর চিকিৎসা প্রদান করছেন। এর মধ্যে চিকিৎসা পেয়ে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র নিয়ে ১৪ জন বাড়ী ফিরেছেন ।বাকী ১৪ জন এখনো কালুখালী হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহন করছেন।

বিশেষ করে তিনি রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জিল্লুল হাকিম এর সুযোগ্য পুত্র জেলা আওয়ামীলীগের অন্যতম সদস্য আশিক মাহমুদ মিতুল এর দেওয়া পরামশে প্রথম থেকেই কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি এমপির পুত্র আশিক মাহমুদ মিতুলের দেওয়া পিপিই, মাস্ক, গগলস, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, হ্যান্ড গ্রাভস এবং রোগীদের ঔষুধ সহ সকল ধরনের সহযোগীতা নিয়ে করোনা রোগীদের নিয়মিত সেবা প্রদান করেছেন।

সেই সাথে তিনি করোনায় ভয় নয়, সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। কেউ আক্রান্ত হলে মনোবল হারানো যাবে না। সৃষ্টিকর্তার নিকট প্রার্থনা করতে হবে। বাড়ীর বাহিরে গেলে মাস্ক পড়তে হবে এবং বিশেষ করে সরকার ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা মেনে চলতে হবে এমন সচেতনতা মূলক প্রচার-প্রচরানা ও সেমিনার করেছেন।

বতমানে তিনি হাসপাতাল কোয়াটারে আইসোলিশনে আছে।তিনি করোনায় পজিটিভ হওয়ায় জেলাসহ উপজেলার সকল মানুষের কাছে দোয়া কামনা করেন।

Facebook Comments


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Recent Comments