রাজবাড়ী, ২৮শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০

কালুখালীতে দুই গ্রুপের মধ্যে সংর্ঘষ

এবার ইউনিয়ন আ.লীগের সাধারণ সম্পাদকসহ ৪৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশ: ১০ জুন, ২০২০ ৯:১৮ : অপরাহ্ণ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ রাজকন্ঠ ডট কম

 বিলে মাছ ছাড়াকে কেন্দ্র করে কালুখালী উপজেলার সাওরাইল ইউনিয়নের ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি মোঃ শহিদুল ইসলাম আলী ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ গোলাম সরোয়ার ঠান্ডু মন্ডলের সমর্থকের মধ্যে সংর্ঘষের ঘটনায় আহত মারজেম মন্ডলের স্ত্রী হাসিনা খাতুন বাদী হয়ে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম সরোয়ার ঠান্ডুকে প্রধান আসামী করে ৪৯ জনের বিরুদ্ধে কালুখালী থানায় মামলা দায়ের করেছেন। এ মামলার ০২ নং আসামী করা হয়েছে জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম সরোয়ার ঠান্ডু’র ছেলে শাফিন সারোয়ার তুষারকে একই সাথে তুষারের অপর ভাই সহ এ মামলায় ৪৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১০/১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। কালুখালী থানার মামলা নং-০৭। তাং ০৯/০৬/২০২০ইং। এদিকে একই ঘটনায় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ শহিদুল ইসলাম আলীকে প্রধান আসামী করে একটি মামলা করেছেন মিরাজ শিকদার নামের এক ব্যাক্তি। ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এখন উভই মামলার এজহার নামীয় প্রধান আসামী এ নিয়ে সাধারণ আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীরা বিভ্রান্তির মধ্যে পড়েছেন বলে স্থানীয় সুত্র জানিয়েছেন।

সাওরাইল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক গোলাম ছরোয়ার ঠান্ডু মন্ডল বলেন সাওরাইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম আলীর প্ররচনায় আমার ও আমার কর্মী সমর্থকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা হয়রানী মূলক মামলা দেওয়া হয়েছে। মারামারির এ ঘটনার সময় আমি সেখানে ছিলামই না।

রাজবাড়ী জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাফিন সারোয়ার তুষার বলেন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের হেয় করার জন্যই ব্যাক্তি আক্রশে চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম আলী আমার নামে মামলা দেওয়ার প্ররচনা দিয়েছেন। একই সাথে তুষার বলেন চেয়ারম্যান নিজে তার কর্মী সর্মথকদের ইদ্বন দিয়ে এই মারপিট করেছে বাড়ী ভাংচুর করেছে আবার আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানীর চেষ্ঠা

মসজিদ কমিটির সভাপতি আনছার আলী বলেন আমাদের সাথে চেয়ারম্যান কথা দিয়ে আমার এলাকার মানুষকে মারমারি থেকে বিরত থাকতে বলে তার লোকজনের উস্কে দিয়ে এই হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে এতে আমার ছেলেসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। একই সাথে সিরাজ শিকদারকে ধরে নিয়ে মারপিট করেছে সিরাজের অবস্থা আশংস্কা জনক বলেও তিনি জানান।

এ ব্যপারে ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ শহিদুল ইসলাম আলী বলেন আমার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে মামলা দেওয়া হয়েছে এ ঘটনার সাথে আমি জড়িত নয়। বরং আমি উভয় পক্ষকে শান্ত থাকার পরামর্শ দিয়ে বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে বসার জন্য বলে আসছিলাম আমি সেখান থেকে চলে যাওয়ার পর তারা মারামারি করেছে। এ ব্যাপারে কালুখালী থানার অফিসার্স ইনচার্জ (তদন্ত) বলেন একই দিনে ২টি মামলা দায়ের হয়েছে একটিতে ২৬ জন ও একটি ৪৯ জন এজহার নামীয় আসামী করা হয়েছে যথাক্রমে মামলা নং-০৬ ও ০৭। সুত্র জানিয়েছেন দির্ঘদিন ধরে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদকের মধ্যে দলীয় গ্রুপিং চলে আসছে এরই ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন সময় উভয় পক্ষের কর্মী সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া কথা কাটাকাটি লেগেই থাকে।

Facebook Comments