রাজবাড়ী, ১২ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, রোববার, ২৭ নভেম্বর ২০২২

এমপি পুত্র মিতুলের সার্বিক সহযোগীতায় কালুখালী হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩ জন করোনা রোগী

প্রকাশ: ৫ জুন, ২০২০ ৭:১২ : অপরাহ্ণ

প্রিন্ট করুন

মোখলেছুর রহমান:রাজকন্ঠ ডট কম

রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তিকৃত ৩ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী রাজবাড়ী জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জিল্লুল হাকিম এমপির পুত্র জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সমাজসেবক আশিক মাহমুদ মিতুলের সার্বিক সহযোগীতায় ও হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসকের সু-চিকিৎসা প্রদানে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। ৫ জুন(শুক্রবার) দুপুরে সুস্থ হওয়া ৩ জন করোনা রোগীকে ছাড়পত্র প্রদান করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

৩ জন সুস্থ হওয়া করোনা রোগীরা হল জেলার কালুখালী উপজেলার বাওইখোলা গ্রামের আঃ রহমান, বড় কলকলিয়া গ্রামের রিনা বেগম ও পাংশা উপজেলার পৌর শহরের কুড়াপাড়া গ্রামের রমজান আলী। এছাড়াও এদের সংস্পর্শে থাকা ২ জনকে ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে রেখে রিপোর্ট নেগেটিভ আসায় বাড়িতে পাঠানো হয়েছে। এসময় ছেড়ে দেয়া রোগীদেরকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও বিভিন্ন মৌসুমী ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফলমূল উপহার দেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

কালুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২ জন কোয়ারেন্টাইন সহ ৬ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী ভর্তি ছিল। হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সগণ এসকল করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা নিয়মিত সেবা প্রদান করছিল। এদের মধ্যে পরপর ২ বার করে ৩ জন করোনা রোগীর নমুনা নেগেটিভ আসায় তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

কালুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ খোন্দকার আবু জালাল রাজকন্ঠকে জানান, কালুখালী ও পাংশাতে করোনা পজিটিভ রোগী শনাক্ত হওয়ার পর জেলার সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ নূরুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে কালুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা রোগী ভর্তি করে তাদেরকে নিয়মিত চিকিৎসা প্রদান করা হয়।

ডাঃ খোন্দকার আবু জালাল আরো বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে আমরা যখন স্বাস্থ্য সুরক্ষা সহ বিভিন্ন সরঞ্জামের অভাবে ছিলাম।আমরা বড় বিপদের মধ্যে দূচিন্তায় পড়ে ছিলাম ঠিক তখনই রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জিল্লুল হাকিমের ছেলে জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য আশিক মাহমুদ মিতুল মানবিকতার হাত বাড়িয়ে আমাদের চিকিৎসকদের জন্য পিপিই ও মাস্কসহ রোগীদের জন্য করোনার প্রতিষেধক যেসকল ঔষধ তা প্রদান করেন। তার সার্বিক সহযোগীতায় আমাদের চিকিৎসকগণ রোগীদের সেবা দিয়ে করোনামুক্ত করতে সক্ষম হয়েছে। এছাড়াও তিনি আরো জানান, বাঁকি ৩ জনের নমুনা রিপোর্ট একবার নেগেটিভ এসেছে, আজ আবার আমরা নমুনা সংগ্রহ করে পাঠিয়েছি এই রিপোর্ট নেগেটিভ আসলে তাদেরকেও ছাড়পত্র প্রদান করা হবে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ খোন্দকার আবু জালাল এর তত্ত্বাবধানে মেডিকেল অফিসার ডাঃ আল-মামুন, ডাঃ নিউটন সিকদার করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের জীবনের ঝুকিনিয়ে নিয়মিত সু-চিকিৎসা প্রদান করেছেন।