রাজবাড়ী, ১১ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, শনিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২২

পাংশা বাজারে করোনার ঝুঁকি ॥ বাজার বন্ধের দাবী

প্রকাশ: ১৪ মে, ২০২০ ১১:০২ : পূর্বাহ্ণ

প্রিন্ট করুন

এস,কে পাল ॥ রাজকন্ঠ ডট কম

দিন দিন সারাদেশে করোনার ভাইরাসের সংক্রমণে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেই সাথে করোনা আক্রান্তে মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়ছে। করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুও হচ্ছে অনেকের। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকার প্রথম থেকেই নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। মরণঘাতি এই ভাইরাসের কারণে সারাদেশ লকডাউন ঘোষণা করেছিলেন সরকার।

কিন্তু ঈদকে সামনে রেখে গত ১০ মে থেকে লকডাউন শিথিল করে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত দোকানপাট খোলার অনুমতি প্রদান করা হয় সরকারের পক্ষ থেকে।

তারপর থেকেই ঘরে থাকা মানুষজন বেড়িয়ে পড়েছে বাইরে। কেনাকাটায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছে অধিকাংশ মানুষ।

রাজবাড়ির পাংশায় প্রতিনিয়ত করোনার ঝুঁকি নিয়ে মার্কেটে কেনাকাটা করতে আসছে উপজেলার বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ। তারা করোনা ঝুঁকি উপেক্ষা করে ভীড় জমাচ্ছে মার্কেটগুলোতে। সামাজিক দূরত্ব না মেনে চলছে তারা। যেকারণে বাড়ছে করোনার ঝুঁকি।

বাজারে এসকল ক্রেতাদের মধ্যে অধিকাংশই নারী ও শিশু। এদের মধ্যে অনেকেই আবার মাস্ক ছাড়ায় চলাফেরা করছে।

ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সচেতন করার লক্ষ্যে পাংশা পৌরসভার মেয়র মাইকিংয়ের মাধ্যমে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মেনে বেচাকেনার কথা বললেও তা মানছেন না কেউ।

বৃহস্পতিবার সকালে পাংশা বাজারের দত্ত মার্কেট, হাজী মার্কেট, কাজী মার্কেট, সাদী প্লাজা ও মাহমুদ প্লাজার সামনে দেখা যায় উপচে পড়া ভীড়। দোকানপাট না খুললেও ক্রেতাগণ ভীড় জমিয়ে দাঁড়িয়ে আছে মার্কেটের সামনে। অনেকের সাথে কথা বলে জানা যায়, ঈদকে সামনে রেখে তারা কেনাকাটা করতে এসেছেন। মার্কেট বন্ধ থাকায় তারা এভাবে দাঁড়িয়ে আছেন।

তবে করোনা ঝুঁকি আছে জেনেও বাজারে আসছেন কেন এমন প্রশ্নের জবাব দিতে পারেনি কেউ।

প্রতিনিয়ত পাংশা বাজারে মানুষের ভীড় বাড়তে থাকায় বাজার বন্ধের দাবী জানান অনেকেই। অনেকেই মনে করছেন লকডাউন শিথিল করে মার্কেট খুলে দেয়ায় করোনার ঝুঁকি আরো বেড়ে গেছে। পাংশা বাজারে যেভাবে মানুষজন আসছে এমন ভাবে চলতে থাকলে করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে।

অপরদিকে পাংশা বাজারে সাধারণ মানুষের চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় শহরের বিভিন্ন সড়কে প্রতিনিয়ত যানজট লেগেই আছে।

উল্লেখ্য বর্তমানে পাংশা বাজার শিল্প ও বণিক সমিতির কোন নির্বাচিত কমিটি নেই। পাংশা পৌরসভার মেয়র আব্দুল আল মাসুদ আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।