রাজবাড়ী, ১৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, শনিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২২

কালুখালীর রতনদিয়া ইউপিতে শান্তিপূর্ণভাবে ৮০০ কর্মহীন পরিবারের মাঝে সরকারী চাউল ও মিষ্টি কুমড়া বিতরণ

প্রকাশ: ১২ মে, ২০২০ ৮:২৩ : অপরাহ্ণ

প্রিন্ট করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক:রাজকন্ঠ ডট কম

 

সারা দেশ কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে মানুষ অসহায় হয়ে পড়েছে। এই মহামারি করোনায় আক্রান্ত হয়ে দেশের মানুষ বিপদগ্রস্ত।আজ দেশের শহর থেকে গ্রাম, গ্রাম থেকে শহরের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছে,তাদের নিত্যদিনের কাজ কর্ম করতে পারছে না যে কারনে দিনদিন অসহায় হয়ে পড়ছে সাধারন মানুষ। এমন সময় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে সারা দেশে করোনা আক্রান্তের শুরু থেকে বিভিন্ন সময় দেশের নানা শ্রেণী পেশার মানুষের মাঝে বিভিন্ন ধরনের সাহায্য সহযোগীতা অব্যাহত রেখে যাচ্ছেন।
তারই ধারাবাহিকতায় ১২ (মে) মঙ্গলবার রাজবাড়ীর কালুখালী রতনদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে অত্যন্ত সু-শৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণভাবে ৮০০ কর্মহীন অসহায় পরিবারের মাঝে চাউল ও মিষ্টি কুমড়া বিতরণ করা হয়।
সকাল ১১ টায় রতনদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে এ চাউল ও মিষ্টি কুমড়া বিতরণে উপস্থিত ছিলেন রতনদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান ও রতনদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মেহেদী হাচিনা পারভীন নিলুফা,ট্যাগ অফিসার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার(ভারপ্রাপ্ত) আব্দুর রশিদ।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রতনদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক নির্মল কুমার সাহা,উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ফাতেমা পারভীন,কালুখালী থানার এস আই শফিকুল ইসলাম,সাংবাদিক  ও ইউপি সদস্য মাসুদুর রহমান হিটু,আব্দুল লতিফ মোল্লাসহ সকল ইউপি সদস্যবৃন্দ।

এসময় ত্রাণ পাওয়া মাছেম মন্ডল ও সমশের আলীর সাথে কথা বললে তারা রাজকন্ঠকে জানান আমাদের চেয়ারম্যান নিলুফা সবার সাথে কথা বলেন।তিনি মামা চাচা খালা কাকা ছাড়া কথা বলেন না। তিনি খুব ভাল মানুষ আমাদের সব সময় পরিষদের সব কিছু দেন।সে মানবিক ভাবে মানুষের সাথে কথা বলে।
এসময় রতনদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মেহেদী হাচিনা পারভীনের সাথে কথা বললে তিনি রাজকন্ঠকে জানান আমি মানুষের সেবা করতে চাই। আমার কাজ মানুষের সেবা করা।আমার বাবা ছিলেন মানুষ প্রিয় একজন ব্যক্তি তিনি সবার সাথে হাসি মুখে কথা বলতেন।তিনি আরো জানান, মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া সকল প্রকার কার্যক্রম আমি রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা জিল্লুল হাকিমের নির্দেশে কাজ করে যাচ্ছি আগামীতেও করে যাব। আমি সব সময় জনগনের সেবা করতে ভালবাসি।আজ করোনাকে ভয় না করে করোনাকে জয় করে মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছি।


এ সময় প্রত্যেক পরিবারের হাতে ১0কেজি চাউল ও ১টি করে  মিষ্টি কুমড়া প্রদান করা হয়।