রাজবাড়ী, ১৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, শনিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২২

বাজারে উঠেছে নতুন চাল, কমেছে নিত্যপণ্যের দাম

প্রকাশ: ৮ মে, ২০২০ ৮:৪৮ : অপরাহ্ণ

প্রিন্ট করুন

রাজকন্ঠ অনলাইন:

ঢাকার পাইকারি বাজারগুলোতে আসতে শুরু করেছে বোরো মৌসুমের চাল।  নতুন এই চালের দাম তুলনামূলক কম। ফলে কমেছে পুরোনো চালের দাম।  এদিকে কমেছে অন্যান্য নিত্যপণ্যের দামও।

শুক্রবার (৮ মে) রাজধানীর বাবুবাজার, বাদামতলী, যাত্রাবাড়ী, শান্তিনগর চালের আড়তে গিয়ে দেখা যায়, নতুন মিনিকেট চাল ৪৯-৫৪ টাকা, পুরোনো মিনিকেট ৫২-৫৭ টাকা ও বিআর আটাশ ৩৯-৪৩ টাকা কেজি দামে বিক্রি হচ্ছে।

যাত্রাবাড়ী সাব্বির রাইস এজেন্সির প্রোপাইটার মারুফ হোসেন বলেন, এখন চালের চাহিদা কম, তাই দাম কমতে শুরু করেছে।

বাদামতলী পাভেল রাইস এজেন্সির বিক্রেতা আরিফ মিয়া বলেন, বোরো ধানের নতুন চাল বাজারে এসেছে।  দামও কমতে শুরু করেছে।

কৃষি মন্ত্রণালয় জানায়, চলতি বোরো মৌসুমে প্রায় দুই কোটি টনের বেশি চাল উৎপাদিত হবে, যা চাহিদার ৫৫ শতাংশ। আউস ও আমন মিলে দেশে সাড়ে তিন কোটি টনের বেশি চাল উৎপাদিত হয়।

এদিকে, বাজারে ভোজ্যতেল, ছোলা, চিনি, রসুন ও আদা, দাম কমেছে।  এর মধ্যে প্রতি কেজি চায়না রসুন ১৪০ থেকে ১৭০ টাকা, চায়না আদা ১৫০ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।  গত দুই সপ্তাহ আগে আদার দাম প্রতি কেজি ৩৫০ টাকা ছিল। প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৫৮ থেকে ৪৮ টাকা।  প্রতি কেজি ছোলা ৭০ থেকে ৭৫ টাকা,  চিনি ৬৩ থেকে ৭০ টাকা।  খোলা সয়াবিন তেলের কেজি ৯০ থেকে ৯৫  টাকা, এক লিটারের বোতলের দাম এখন ১০৫ টাকা।  ডাবরি ডাল বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৭০ টাকা, অ্যাঙ্কর ৫০ থেকে ৬০ টাকা, দেশি মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১২৫ থেকে ১৪০ টাকা, মসুর (মোটা) ৭৫ থেকে ৯০ টাকা।  ছোলা ৭৫  থেকে ১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

মুরগি প্রতি কেজি ব্রয়লার ১২০ থেকে ১২৫ টাকা, কক মুরগি ২২০ থেকে ২৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।  দেশি মুরগি কেজি ৫০০ টাকা ও গরুর মাংস ৫৮০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।

প্রতি কেজি বেগুন (প্রকারভেদে) ৪০ থেকে ৮০ টাকা, শসা ৩০ থেকে ৬০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

ধনিয়াপাতা বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি, পুদিনা পাতা ১০০ থেকে ১৩০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।  প্রতি হালি লেবু (ছোট) ২০ থেকে ৩৫ টাকা, বড় লেবু ৪০ থেকে ৫০ টাকা হালি বিক্রি হচ্ছে।

প্রতি কেজি টমেটো বিক্রি হচ্ছে কেজি ২৫ থেকে ৪০ টাকা, করলা ২৫ থেকে ৪০ টাকা, উস্তা ৩০ থেকে ৫০ টাকা, গাজর ২৫ থেকে ৪০ টাকা, পেঁপে ২০ থেকে ৩৫ টাকা, কচুর লতি ৫০ টাকা, চিচিঙ্গা, ধুন্দুল ৩৫ থেকে ৪৫ টাকা, সিম ৪০ থেকে ৫৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।  আলু ২৫ থেকে ৩০ টাকা, শাক প্রতি কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে।

লাউ প্রতি পিস বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, প্রতি পিস বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪৫ টাকা, বাঁধা কপি (গ্রিন) ৪০ থেকে ৭০ টাকা।

বাবলু নামে রায়েরবাগ বাজারের একজন ক্রেতা বলেন, রমজানে চালসহ দু-একটি পণ্যের দাম কমেছে।  সরকারের উচিৎ অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া।

রায়েরবাগের মোহাম্মাদীয়া মুদি দোকানের প্রোপাইটার হাজী বেলাল হোসেন বলেন, বাজারে নিত্যপণ্যের কোনও সংকট নেই। গত সপ্তাহের চেয়ে চালের দাম কমেছে।  চাহিদা কমায় নিত্যপণ্যের দাম কমতে শুরু করেছে।