রাজবাড়ী, ১১ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, রোববার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১

ছুটি শেষেই ১৬তম নিবন্ধনের ফল, আসছে গণবিজ্ঞপ্তিও

প্রকাশ: ৪ মে, ২০২০ ৮:৩৬ : অপরাহ্ণ

অনলাইন ডেস্ক :রাজকন্ঠ ডট কম

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব কমাতে গত ২৬ মার্চ থেকে কার্যত লকডাউন পর্যায়ে রয়েছে সারাদেশ। বন্ধ রয়েছে সরকারি অফিস-আদালতের কার্যক্রম।  এ অবস্থায় আটকে যায় ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষা ফল ও বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগের গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ।

জানা যায়, ফল প্রকাশের প্রস্তুতির কাজ অনেকটাই গুছিয়ে এনেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। একইসঙ্গে ১৫তম পর্যন্ত নিবন্ধনকৃতদের নিয়োগের প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছিল।  ইতোমধ্যে সারাদেশের ৫৭ হাজারের বেশি শিক্ষকের চাহিদাও পায় এনটিআরসিএ কর্তৃপক্ষ।

বর্তমান পরিস্থিতিতে এনটিআরসিএ’র সব কার্যক্রম বন্ধ থাকায় হতাশায় দিন কাটছে ফল ও নিয়োগপ্রত্যাশীদের।  তারা বলছেন করোনা পরিস্থিতির কারণে উভয় সংকট দেখা দিয়েছে। না পাচ্ছেন রেজাল্ট, না পাচ্ছেন গণবিজ্ঞপ্তি। তবে এনটিআরসিএ বলছে খুব শিগগিরই সব ঠিক হয়ে যাবে। সাধারণ ছুটি শেষ হলে এটি নিয়ে বেশি সময় নেবে না এনটিআরসিএ।

১৬তম লিখিত পরীক্ষার ফল প্রার্থী শাজাহান খন্দকার বলেন, এ বছরের শুরু থেকেই আশাবাদী ছিলাম একটা জব হবে।  ১৫তম স্কুল পর্যায়ে ভাইবা পাস করে আছি।  রেজাল্টও ভালো। ১৬তম আবার লেকচারার পদে রিটেন দিয়েছি।  ভাবছিলাম এ বছর অন্তত একটা সেক্টরে জব হবে। এনটিআরসিএ গণবিজ্ঞপ্তি আজ দেবে কাল দেবে এসব শুনে আসছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত কিছুই পেলাম না।

১৫তম নিবন্ধনধারী আব্দুর রহমান নামের এক প্রার্থী বলেন, এমন পরিস্থিতিতেও বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি চাকরির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি চলছে। শুধু এনটিআরসিএ’র কোনো খবর নেই। আসলে তারা বেকারদের নিয়ে তামাশা করে মজা পায় মনে হচ্ছে।

আরেক প্রার্থী মাসুম বিল্লাহ বলেন, ১৬তম লিখিত রেজাল্ট এর কোনো খবর আছে? মহামুশকিলের এ সময়ে তা দিলে হয়তো একটু শান্তি পেতাম।

লিটন কুমার নামের একজন বলেন, চাকরির বয়স প্রায় শেষ পর্যায়ে। এখন এনটিআরসিএ এর মাধ্যমে একটা জব হলেই বাঁচি। কিন্তু হবে হবে বলে-তো করোনাই চলে এলো।  কবে হবে কে জানে?

এ বিষয়ে কথা বলতে এনটিআরসিএ এর পরিচালক আসাদুজ্জামানকে ফোন দিলে তিনি রাজকন্ঠকে বলেন, আমাদের কার্যক্রম প্রায়ই শেষের পথে এসেছিল।  চেয়ারম্যান মহোদয় এ বিষয়ে ভালো বলতে পারবেন।

জানতে চাইলে এনটিআরসিএ’র চেয়ারম্যান আব্দুল আওয়াল হাওলাদার রাজকন্ঠকে জানান, আমরা ১৬তম ফল দেওয়ার অধিকাংশ প্রস্তুতিই শেষ করে ফেলছিলাম। কিন্তু করোন পরিস্থিতিতে অফিস বন্ধ থাকায় কার্যক্রম চলছে না। তবে সাধারণ ছুটি শেষ হলে খুব শিগগিরই রেজাল্ট দেওয়া হবে।

এছাড়া গণবিজ্ঞপ্তির বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা সারাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাহিদা চেয়েছিলাম।  ইতোমধ্যে ৫৭ হাজারের বেশি শিক্ষকের চাহিদা আমাদের কাছে এসেছে। আমরা অনেকটা গুছিয়ে নিয়েছিলাম। ছুটি শেষে এটি নিয়েও বেশি সময় ব্যয় করবো না।