রাজবাড়ী, ৮ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

মোবাইলফোন-ইন্টারনেটে লেনদেনে কমবে করোনার ঝুঁকি

প্রকাশ: ১ মে, ২০২০ ৬:১৭ : অপরাহ্ণ

করোনার ঝুঁকি এড়াতে পুঁজিবাজারে লেনদেনে বিকল্প পথ বেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। এরই অংশ হিসেবে তারা মোবাইল ব্যাংকিং ও ইন্টারনেটে লেনদেনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে করোনা সংক্রামণের ঝুঁকি কমবে বলে আশা করছে ডিএসই কর্তৃপক্ষ।

এরপরও যদি করোনার সংক্রমণ  বেড়ে যায়, তাহলে লেনদেন বন্ধ রাখার বিষয়টি বিবেচনায় করবে ডিএসই। এজন্য ডিএসই’র পরিচালনা পর্ষদকে এই সংক্রান্ত ফিজিবিলিটি স্টাডি রিপোর্ট তৈরি করতেও বলা হয়েছে। বিশেষ করে স্বাস্থ্যঝুঁকি, সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল), ব্যাংকিং সময়ের স্বল্পতার সঙ্গে লেনদেন চালুর সম্ভাব্যতা, স্টক এক্সচেঞ্জের সক্ষমতার বিষয় রিপোর্টে  তুলে ধরতে বলা হয়েছে।

এক্ষেত্রে আবার ভিন্ন কথা বলছে বাংলাদেশ সিকিউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ও সিডিবিএল কর্তৃপক্ষ। তারা বলছে, স্টক এক্সচেঞ্জ লেনদেন চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ থেকে লেনদেন চালু করার অনুমতি পেলে বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকির বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে।  পাশাপাশি গুরুত্ব পাবে ব্রোকারেজ ও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ও। তবে, লেনদেন চালুর পর কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী করোনা-আক্রান্ত হলে তার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট ব্রোকারেজ হাউজ ও মার্চেন্ট ব্যাংক নেবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট করা হয়নি। সেক্ষেত্র তাদের স্বাস্থ্য বীমাসহ বিশেষ প্রণোদনা ভাতার আওতায় আনার পরামর্শ দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানতে চাইলে বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কাজী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘করোনার প্রভাবে এক মাসের বেশি সময় ধরে পুঁজিবাজার বন্ধ। তাই ব্রোকারেজ হাউজ ও মার্চেন্ট ব্যাংকে বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) অ্যাকাউন্ট থেকে উত্তোলনযোগ্য (ম্যাচুয়েড) টাকাও তুলতে পারছেন না তারা। লেনদেন চালু হলে সশরীরে না এসে ঘরে থেকে মোবাইলে শেয়ার কেনা-বেচা করলে করোনার ঝুঁকি কমবে।’

ইবিএল সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ সায়েদুর রহমান বলেন, ‘পুঁজিবাজারের লেনদেন চালুর সিদ্ধান্ত স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃপক্ষ বুঝে-শুনেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটা পুঁজিবাজারের জন্য ইতিবাচক। এ পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীরা টেলিফোনে বা   ইন্টারনেটে লেনদেন করলে করোনার ঝুঁকি কমবে।’ আর  সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ঝুঁকি নিরূপণের বিষয়টি স্টক এক্সচেঞ্জের পরিকল্পনায় থাকা উচিত বলেও তিনি মনে করেন।