রাজবাড়ী, ১৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, শনিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২২

কর্মস্থলে ফিরতে ফেরিঘাটে পোশাক শ্রমিকের ভিড়

প্রকাশ: ২৭ এপ্রিল, ২০২০ ৫:২৩ : অপরাহ্ণ

প্রিন্ট করুন

নিউজ ডেস্ক:

দেশে অবরুদ্ধ অবস্থার মধ্যেও শত শত শ্রমজীবী মানুষ কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়া ফেরিঘাট হয়ে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের কর্মস্থলে ফিরছেন।

গণপরিবহন বন্ধ থাকায় শিমুলিয়া ঘাট থেকে কর্মস্থলে যেতে তাদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে বিভিন্ন যানবাহন পাল্টে কর্মস্থলে ছুটছেন তারা।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্পোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) শিমুলিয়া ঘাটের এজিএম মো. শফিকুল ইসলাম জানান, রোববার (২৬ এপ্রিল) সকাল থেকে শিমুলিয়া ঘাটে পোশাক শ্রমিকের ঢল শুরু হয়েছে। আজ  সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকালেও একই অবস্থা দেখা গেছে।

শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌরুটে দিনে ২/৩টা ফেরি চলাচল করে। রাতে পণ্য পরিবহণের জন্য সচল থাকে ৬/৭টি ফেরি। গত ২৪ ঘণ্টায় সহস্রাধিক পণ্যবাহী ট্রাক ও ছোট যানবাহন পারাপার করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

মাওয়া নৌ-ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, কাঠাঁলবাড়ী ঘাটে সেনা ও পুলিশ সদস্যরা রয়েছেন। তারা যাত্রীরা যে পোশাক শ্রমিক, এটা নিশ্চিত হয়ে ফেরিতে উঠতে দিচ্ছেন।

তিনি জানান, চাকরি বাঁচাতে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের নিজ নিজ কর্মস্থলে ছুটছেন পোশাক শ্রমিকরা। সকাল থেকে শিমুলিয়া ঘাটে শ্রমজীবী মানুষের ঢল দেখা গেছে।

শিমুলিয়া ঘাটে গণপরিবহন না থাকায় বিপাকে পড়া যাত্রীরা বেশি ভাড়া দিয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশা, আবার কেউ পিকআপ ভাড়া করে নিজ নিজ গন্তব্যে গেছেন।

মাওয়া ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক মো. হেলালউদ্দিন জানান, ঢাকা-মাওয়া সড়কে ছোট পরিবহন চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয় না। তাই ছোট যানবাহনে করে অনেক রাস্তা ঘুরে ঢাকার বাবুবাজারের দিকে ছুটেছেন শত শত শ্রমজীবী মানুষ। সেখান থেকে পরিবহন পাল্টে গন্তব্যে যাচ্ছেন তারা।

এক্ষেত্রে শ্রমিকরা অতিরিক্ত ভাড়া দেওয়ার পাশাপাশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বলে জানান তিনি।

শিমুলিয়া ঘাটের এজিএম মো. শফিকুল ইসলাম জানান, পণ্যবাহী ট্রাক ছাড়া যাত্রীবাহী যানবাহন ফেরিতে পার করা হয় না। যাত্রীরা ফেরিতে পার হয়ে আসছেন।

দেশে সীমিত আকারে কিছু অফিস এবং পোশাক কারখানা খুলতে শুরু করেছে। এ কারণে দীর্ঘ ছুটিতে বাড়িতে যাওয়া শ্রমিকরা কর্মস্থলে ফিরছেন।