রাজবাড়ী, ১১ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, রোববার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১

রোজার আগেই খেজুরে আগুন, নেই নজরদারি

প্রকাশ: ২৪ এপ্রিল, ২০২০ ৯:৫৮ : অপরাহ্ণ

নিউজ ডেস্কঃ   রোজা শুরুর আগে থেকে ইফতারির প্রধান  উপকরণ খেজুর নিয়ে শুরু হয়েছে কারসাজি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চাহিদা অনুযায়ী মজুদ রয়েছে। এরপরও সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা খেজুরের দাম নিয়ে গেছে ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) বলছে, কর্তৃপক্ষের নজরদারির অভাবেই  রোজার আগেই খেজুরের বাজারে ‘আগুন লেগেছে’।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে—সবচেয়ে বেশি চলে সাধারণ মানের খেজুর জাহেদি। পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি জাহেদি খেজুর বিক্রি হচ্ছে ৮৮-৯০ টাকায়। আর খুচরা বাজারে ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা। গত রমজানেও পাইকারি বাজারে জাহেদি খেজুর মিলত প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকায়। খুচরা বাজারে ৮০-১০০ টাকায়। মধ্যম মানের খেজুর বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা। পাইকারি বাজারে এসব খোলা খেজুরের দাম ৮০থেকে ৯০ টাকা।

তবে, মরিয়ম ও আজওয়া খেজুরের দামও চড়া। মরিয়ম খেজুরের কেজি ৬৫০ টাকা থেকে শুরু। আজোয়ার কেজি ৮০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা।প্যাকেটজাত ধাবাস, বরই ইত্যাদি খেজুর ৪০০ থেকে ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

জানতে চাইলে ‘সাথী ফ্রেশ ফ্রুট’-এর খেজুর বিক্রেতা সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘দাম বেড়েছে ঠিক আছে। কিন্তু দেশজুড়ে চলা সাধারণ ছুটির কারণে বিক্রি একেবারেই কম।’

মদিনা ফ্রুটের কর্ণধার সোলাইমান সিয়াম বলেন, ‘পাইকারি পর্যায়ে প্রত্যেক আইটেমে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ বেড়েছে। দেশে প্রতি বছর রোজার আগে প্রচুর খেজুর আমদানি হয়। রোজার মাসজুড়ে খেজুরের চাহিদা থাকে অনেক বেশি। তবে এবার সে চিত্র নেই। লোকাল পর্যায়ে এর বিক্রি বেশি। সেখানে দামও বেশি।’

কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহ-সভাপতি এসএম নাজের হোসাইন বলেন, ‘আসলে এই বছর অনেক  কম দামে আনলেও বেশি দামে বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। যে কারণে রোজার শুরু থেকেই বেশি দামি খেজুর খেতে হবে। উপায় নেই।’ তবে এক্ষেত্রে মাঠ-পর্যায়ে আরও নজরদারি প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

ভোক্তা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মাসুম আরেফিন বলেন, ‘আমাদের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে জোর তৎপরতা রয়েছে। আমরা বাজারে আমাদের সবসময় মনিটরিং আছে।’ নির্দিষ্ট দামের লিস্ট টাঙানো ছাড়া যদি বেশি দামে বিক্রি করা হয়, সেটির বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।