রাজবাড়ী, ১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২

২৩৫ টাকার আদা যেভাবে ১২০ হলো

প্রকাশ: ২৩ এপ্রিল, ২০২০ ৮:০২ : অপরাহ্ণ

প্রিন্ট করুন

আমদানি করা প্রতিকেজি আদার এলসি দাম ছিলো ৯৬ টাকা।  সে হিসাবে পরিবহন খরচ বাদে আমদানিকারক পণ‌্যটি ১১০ টাকা এবং পাইকারি বাজারে সর্বোচ্চ ১২০ টাকা বিক্রি করার কথা।

অথচ রাজধানীর শ্যামবাজারে প্রতিকেজি আদা ২৩৫ টাকা করে বিক্রি হচ্ছিলো। এমন খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) শ্যামবাজারে পাইকারি আদা বিক্রেতাদের দোকানে অভিযান পরিচালনা করেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার।  পরে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলাপ করে ওই বাজারে আদার মূল্য ১২০ টাকা নির্ধারণ করেন তিনি।

মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার বলেন, খুচরা বাজার থেকে খবর পেয়ে শ্যামবাজারে অভিযান চালানো হয়। সেখানে গিয়ে পাইকারি ২৩৫ টাকা কেজিতে আদা বিক্রির প্রমাণ পাওয়া যায়। খুচরা বিক্রেতাদের আড়তদাররা রশিদ দিলেও সেখানে গোজামিল পেয়েছি। তবে আড়তদাররা আমদানিকারদের কাছ থেকে কোনো রশিদ না রাখায় এভাবে ইচ্ছেমতো দাম বাড়িয়েছিল।

তিনি বলেন, অভিযানে একজন ব্যবসায়ী (যিনি কমিশন এজেন্টও) জানান আমদানিকারকরা ২৩৫ টাকা কেজি দরে আদা বিক্রির কথা বলেছেন। পরে আমি আমদানিকারকের প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলে আদার পাইকারি মূল্য কেজি প্রতি ১২০ টাকা নির্ধারণ করে দেই। এর বেশি দামে পরে কেউ আদা বিক্রি করলে জরিমানা করা হবে।

মনজুর মোহাম্মদ বলেন, আদার সর্বোচ্চ এলসি মূল্য ৯৬ টাকা, পরিবহন ও আনুষঙ্গিক মিলিয়ে আরও ১৩ থেকে ১৫ টাকা হলেও খরচ পড়ে ১০৯ টাকা থেকে ১১১ টাকা। সে হিসেবে কমিশন ও মুনাফা ধরে তারা ১২০ টাকায় বিক্রি করলে ক্ষতি হবে না।