রাজবাড়ী, ১৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, শনিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২২

গোয়ালন্দ থেকে ১১ মে.টন দেশী পেঁয়াজ নিয়ে চালক উধাও

প্রকাশ: ২৩ এপ্রিল, ২০২০ ৯:১৭ : অপরাহ্ণ

প্রিন্ট করুন

মাসুদ রেজা শিশির ॥ রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার সরিষা ইউনিয়নের সরিষা বাজার থেকে ৩ ব্যবসায়ীর ১১ মে.টন দেশী পেঁয়াজ নিয়ে কাভার্ড ভ্যান চালকের উধাও হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। কাভার্ড ভ্যান চালকের নাম হুমায়ন। কাভার্ড ভ্যানের নং- ঢাকা মেট্রো-ড-১২-২০২০।

জানা যায়, ২১ এপ্রিল আনুমানিক বিকাল ৩টার দিকে সরিষা বাজার থেকে ব্যবসায়ী আব্দুস সালাম, সাবু মন্ডল ও মোঃ রফিকুল ইসলামের ১৫২ বস্তা পেঁয়াজ লোড করে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়। চুক্তি থাকে ঢাকার মিরপুরের সোনার বাংলা বাণিজ্যালয় ও শ্যাম বাজার বনলতা বাণিজ্যালয় ও আমানত ভান্ডারে ঐ  পেঁয়াজ আনলোড হবে। কিন্তু অদ্যবধি সেই পেঁয়াজ ডেলিভারী হয়নি।

এদিকে পেঁয়াজ ডেলিভারী না হওয়ায় ব্যবসায়ীগণ হতাশায় দিনযাপন করছেন। পেঁয়াজ ব্যবসায়ী আব্দুস সালাম জানান, গত ২১ এপ্রিল গাড়ি সরবরাহকারী মনিরুল ইসলামের মাধ্যমে আমরা একটি গাড়ি ভাড়া করে ১৫২ বস্তা পেঁয়াজ ঢাকার আড়তে পাঠায়। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৫ লক্ষ টাকা। পরবর্তীতে আড়তদারের সাথে যোগাযোগ করে জানতে পারি ঐ পেঁয়াজ পৌঁছায়নি। তখন থেকেই আমরা চালকের সন্ধান করতে থাকি।

নেটের ১৫২ বস্তা পেঁয়াজের মধ্যে রফিকুল ইসলামের কে মার্কা ৬৮ বস্তা, সাবু মন্ডলের বাছাই মার্কা ৫৪ বস্তা, আব্দুস সালামের ১৫ বস্তা ও ভিআইপি মার্কা ১৫ বস্তা মাল ছিল।

এব্যাপারে গাড়ি সরবরাহকারী মনিরুল ইসলাম বলেন, ব্যবসায়ী সালাম, সাবু ও রফিককে আমি দীর্ঘদিন ধরে গাড়ি সরবরাহ করে আসছি। সর্বশেষ আমি সরিষা ইউনিয়নের আন্দুলিয়া গ্রামের ফিরোজ এর ছেলে বিপুল ড্রাইভারের মাধ্যমে ঐ গাড়ি ভাড়া করি। গাড়ির ড্রাইভার ঢাকার হুমায়ন। কিন্তু পেঁয়াজ না পৌঁছায় ব্যবসায়ীরা আমাকে জানালে আমি তাৎক্ষণিক ঐ গাড়ির চালককে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় খুঁজে না পেয়ে মিরপুর বিআরটিএ অফিস থেকে গাড়ির প্রকৃত মালিকের নাম ও মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করি। সংগ্রহকৃত নাম্বারে ফোন দিলে তারা পরিচয় গোপন করে এবং তাৎক্ষণিক ফোন কেটে দেয়। এ বিষয়ে আমি প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি।