রাজবাড়ী, ৯ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১

রাজবাড়ীতে মানছে না লকডাউন

প্রকাশ: ১৫ এপ্রিল, ২০২০ ৮:৫০ : অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥

কালুখালী পেঁয়াজ বাজারের ছবি

 

আজ ৪র্থ দিনের মত চলছে রাজবাড়ীতে লকডাউন। ৫ জন করোনা রোগীর শনাক্তের পর ঝুকি এড়াতে এই জেলাতে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে লকডাউন ঘোষনা করেন জেলা প্রশাসন।যা কার্যকর হয় শনিবার(১১ এপ্রিল)দিবাগত রাত ১২ টার পর থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয় এ জেলার প্রবেশ পথ গণপরিবহণসহ বিভিন্ন ধরনের ভারী যানযাহন সেই সাথে এ জেলা থেকে অন্য জেলায় বা অন্য জেলা থেকে এই জেলায় আসা যাওয়াও বন্ধ করা হয়েছে।
এত কিছুর পরও রাজবাড়ীতে মানছে না কোন লকডাউন,সুশিল সমাজ মনে করছে করোনা ঝুকি এড়াতে রাজবাড়ী জেলা প্রশাসন কর্তৃক জেলাকে লকডাউন ঘোষনা হলেও জেলার হাট বাজার গুলোতে অকারনে ঘুরাফেরা পাড়া মহল্লার অলিতে গলিতে জনসমাগম দেখা যায়।সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখাতো দুরে কথা ইচ্ছে মত বিভিন্ন যায়গায় বসে আড্ডায় মেতে উঠেছে।

অন্যদিকে জেলার বিভিন্ন যায়গার ছোট বড় রাস্তায় দেখা যায় বাঁশ বেধে লকডাউন পালন করছে কিন্তু তার পাশেই একত্র হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ১৫/২০ জন

১০ দিনের জেলা লকডাউনে বলা হয়েছিল শুধু নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী ও ঔষুধের দোকান ব্যতিত সকল প্রকার দোকান বন্ধ থাকবে।ঔষধ ও খাদ্য সামগ্রীর দোকানও চলবে দুপুর ২টা পর্যন্ত।সেই সাথে অপ্রয়োজনে হাট বাজারে না আসারও নিদের্শনা রয়েছে।পাশাপাশি সামাজিত দুরত্ব বজায় রেখে বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া হাট বাজারে চলাফেরা করার আহবান করা হয়েছে সরকার থেকে।

এমতঅবস্থায় সরেজমিনে বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল ৭টা থেকে কালুখালী রতনদিয়া বাজার ঘুরে দেখা যায় বাজারে চলছে আসন্ন ঈদ অথবা নববর্ষের উৎসব। বিশেষ করে একটি দৃর্শমান ঘটনা দেখা গেল রতনদিয়া পেঁয়াজ বাজারে সেখানে শত শত ক্রেতা বিক্রেতা ভ্যান চালক একে অপরের সাথে গাধাগাধি করে কেনা বেচা করছে সেখানে তিলঠাই যায়গা মাত্র নেই।তাতে নেই কোন সামাজিক দুরত্ব বা মহামারি করোনা ভাইরাসের ভয়ভীতি।এমন দৃশ্য চলে সকাল ৭ টা থেকে ১১ টা পর্যন্ত।

বাজারের বিভিন্ন অলিগলিতে দেখা যায় যে দোকান খোলার কথা না সেটাও খোলা রয়েছে আবার যেটা খোলার কথা সেটাও চলছে ইচ্ছে মত।সেখানে নেই মানুষের মাঝে কোন সামাজিক দুরত্ব আবার অনেকের মুখে মাস্ক মাত্র নেই।
এটা শুধু কালুখালীতে নয় জেলার প্রত্যেটি উপজেলার হাট বাজারের একই চিত্র দেখা গেছে।

এমন বিষয়ে প্রশাসন যদি আরো কঠোর ভূমিকায় না আসে তাহলে মহামারি করোনার ভয়াভয়তা আরো ব্যাপক হাড়ে বৃদ্ধি পাবে।