রাজবাড়ী, ১৪ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২

যত সময় সুস্থ্য আছি, তত সময় রানিংয়ে আছি

প্রকাশ: ১২ এপ্রিল, ২০২০ ৪:২৫ : অপরাহ্ণ

প্রিন্ট করুন

হুমায়ন কাজী: প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রোধ করতে ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত জনসচেতনতা, বাজার নিয়ন্ত্রণ, ত্রাণ বিতরণ, সামাজিক দূরত্ব বজায়ে রাখার জন্য বিভিন্ন স্থানে মার্কিং পয়েন্টসহ বিভিন্ন কর্মকান্ডে নিজেকে ব্যস্ত রেখেছেন রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসার একেএম হেদায়েতুল ইসলাম।

এরই মধ্যে তিনি কাকাডাকা ভোরে নিজে স্বশরীরে ভিক্ষুকের বাড়ীতে বাড়ীতে গিয়ে খাদ্য-সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া এবং পেঁয়াজ বাজার স্হান্তরিত করাসহ বাজারে আসা কৃষকদের সামাজিক নিরাপত্তা বজায়ে রাখার নিমিত্তে সম্পূর্ণ স্টেডিয়ামে মার্কিং পয়েন্ট ও কন্ট্রোলরুম স্হাপন করায় দেশ জুড়ে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।

রোববার (১২ এপ্রিল) রাজবাড়ীতে ১০ দিনের লকডাউনের প্রথম প্রহরেই তিনি ভোর থেকে তার কর্মযজ্ঞ শুরু করেছেন। লকডাউনে যাতে কেউ ঘর থেকে বের হতে না পারে সেজন্য তিনি ভোর থেকেই বালিয়াকান্দির বিভিন্ন হাট-বাজারে টহল দেওয়া শুরু করেছেন। সবাইকে অনুরোধ করছে এই সংকটময় মুহূর্তে যেন কেউ বিনা প্রয়োজনে ঘরের বাইরে না যায়।

রোববার (১২এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টায় দেখা যায়, লকডাউন যাতে কেউ অমান্য না করে সেজন্য তিনি সোনাপুর বাজারে গিয়ে টহল দিচ্ছে।

বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসার একেএম হেদায়েতুল ইসলাম বলেন, এটা আমার নৈতিক দায়িত্ব। মানুষ যাতে সচেতন থাকে, বিনা প্রয়োজনে ঘর থেকে বের না হয়, সামাজিক দূরত্ব সবাই যাতে বজায়ে রাখে সেজন্য নিরলস ভাবে কাজ করে যাওয়ার চেষ্টা করছি। বালিয়াকান্দিবাসীকে করোনামুক্ত রাখার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে যা যা করার প্রয়োজন তা সবই করা হবে। আমি যত সময় সুস্থ্য আছি, তত সময় আমি রানিংয়ে আছি আপনাদের সেবায়।