রাজবাড়ী, ১৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর ২০২২

পাংশা হাসপাতালে চিকিৎসা সরঞ্জাম প্রদান করলেন এমপি পুত্র মিতুল

প্রকাশ: ১ এপ্রিল, ২০২০ ৭:৪৯ : অপরাহ্ণ

প্রিন্ট করুন

মাসুদ রেজা শিশির : রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনাসহ জরুরী চিকিৎসা সেবায় বিভিন্ন সরঞ্জাম প্রদান করেছেন রাজবাড়ী জেলা আ.লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জিল্লুল হাকিম এমপি’র পুত্র রাজবাড়ী জেলা আ.লীগের অন্যতম সদস্য বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আশিক মাহমুদ মিতুল।

বুধবার সকাল ১০টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাংশা উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক ডা: এ,এফ, এম শফিউদ্দিন পাতা ও পাংশা পৌর আ.লীগের সহ-সভাপতি দীপক কুমার কুন্ডু এ সকল চিকিৎসা সরঞ্জাম রাজবাড়ী জেলা সিভিল সার্জন ডা: মো: নুরুল ইসলামের নিকট হস্তান্তর করেন। এসময় পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মোছাম্মৎ আঞ্জুয়ারা খাতুন সুমি, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: তরুণ কুমার পাল, ডা: দেলোয়ার হোসেন, উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার মো: মনোয়ার হোসেন জনি সহ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তার ও কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এসময় উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক ডা: এ,এফ, এম শফিউদ্দিন পাতা বলেন, বর্তমানে সারাবিশ্বে করোনা ভাইরাস মহামারী আকার ধারণ করেছে। এই মহামারী থেকে বাঁচতে আমরা সকলেই সচেতন হয়েছি। মহামারী এই করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় আমাদের প্রিয় নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: জিল্লুল হাকিম এমপি বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। তারই যোগ্য উত্তরসূরী তরুণ প্রজন্মের নেতা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও দানবীর আশিক মাহমুদ মিতুল এই দুর্যোগ মোকাবেলায় গরীর-দু:খী মানুষের সহযোগিতার পাশাপাশি চিকিৎসা সেবায় অবদান রেখেছেন। এ ধারাবাহিকতায় আজ পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা সহ অন্যান্য জরুরী চিকিৎসা সেবার সরঞ্জাম বিতরণ করলেন। চিকিৎসা সরঞ্জামাদির মধ্যে রয়েছে- নেবুলাইজার মেশিন, ল্যারিঙ্গোস্কোপ, পালস্ অক্সিমিটার, সাকশন মেশিন, আম্বো ব্যাগ, গ্লুকোজ মিটার, গ্লুকোজ মিটার স্ট্রিপস, ১২ চ্যানেল ইসিজি মেশিন, গ্লুকোমিটার সহ বিভিন্ন সরঞ্জাম। তিনি আরো বলেন, ইতিপূর্বে আশিক মাহমুদ মিতুল রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল সহ বালিয়াকান্দি, কালুখালী ও পাংশায় চিকিৎসকের নিরাপত্তার পার্সোনাল প্রোটেকশন ইকুইপমেন্ট (পিপিই) প্রদান করেছেন।

সিভিল সার্জন ডা: মো: নুরুল ইসলাম বলেন, দেশের ক্রান্তিলগ্নে তরুণ প্রজন্মের নেতা আশিক মাহমুদ মিতুল যেভাবে এগিয়ে এসেছেন এটি একটি যুগোপযোগী। দেশের অন্যান্য ধনাঢ্য ব্যক্তিরাও এগিয়ে আসলে মহামারী এই করোনা মোকাবেলা করা সম্ভব। আমি ব্যক্তিগত ভাবে তাকে ধন্যবাদ জানাই।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকরা জরুরী সেবার জন্য বিভিন্ন সরঞ্জামের কথা তাকে জানালে তিনি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ব্যক্তিগত উদ্যোগে পাংশা হাসপাতালে জরুরী চিকিৎসা সরঞ্জামাদি প্রদান করায় সকলেই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।