রাজবাড়ী, ১০ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১

দেশপ্রেমের রাজনীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্তের নাম বকুল হোসেন সরকার

প্রকাশ: ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ৭:২৭ : অপরাহ্ণ

হাসান ভূঁইয়া, আশুলিয়া।

বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও চেতনাকে ভালোবেসে সততা ও সাহসিকতার সাথে রাজনীতি করে চলেছেন তিনি। কোনো অন্যায় অবিচারের সঙ্গে আপস করেননি আজবদি কোন দিন। তার দৃঢ় অবস্থানের কারণে আশুলিয়ার দিনের পর দিন তার জনপ্রিয়তা বেড়েই চলেছে। সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া এই মেধাবী ও পরিশ্রমি নেতা হলেন আশুলিয়া থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি ও ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদ এর ৫নং ওয়ার্ডের সদস্য বকুল হোসেন সরকার।

আওয়ামী পরিবারে জন্ম হওয়ায় পারিবারিক ঐতিহ্যের সূত্র ধরে তিনি ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। যার রয়েছে বঙ্গবন্ধু আদর্শ ও চেতনা তিনি কি আর থেমে থাকতে পারেন? তাই তিনি সময়ের সাহসী নেতাকর্মীদের সাথে কাজ করে আশুলিয়া থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতির পদ লাভ করেন। স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতির পদে থাকার কারণে ঢাকা জেলা ও কেন্দ্রীয় মূল আওয়ামী লীগসহ সকল অঙ্গ-সংগঠনের শ্রদ্ধাভাজন সিনিয়র প্রতিটি নেতার সাথে তার সুসম্পর্ক রয়েছে।

শুধু নিজস্ব দল বা রাজনৈতিক পরিচয়ের মধ্যে আবদ্ধ নন তিনি, পরাপকারী, দরিদ্র মানুষকে সহায়তাসহ বিভিন্ন কর্মকান্ডের জন্য আশুলিয়ার সাধারণ শ্রমিকদের কাছেও বেশ জনপ্রিয় এই স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা।

তৃণমূল নেতাকর্মীরা বলেন, এই অগ্রযাত্রার একজন অন্যতম কর্মী বকুল হোসেন সরকার ভাই। তিনি আশুলিয়া থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি ও ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৫নং ওর্য়াডের সদস্য পদে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এলাকায় সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজী ও মাদক ব্যবসাসহ সকল ধরনের অপরাধ নির্মূল করতে তৃণমূল নেতা কর্মীদের সাথে নিয়ে নিঃরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।

বর্তমান সময়ে অন্যায়ের প্রতিবাদী কন্ঠ, সৃৃজনশীল নেতা বকুল হোসেন সরকার বলেন, আমি দল থেকে কিছু পাওয়ার আশায় রাজনীতি করি না। আমি বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক আদর্শকে ভালোবেসে রাজনীতিতে যোগ দিয়েছি। আমি দলকে যেমন ভালোবাসি তেমনি তৃণমূল নেতা কর্মীরাও আমাকে ভালোবাসে।

তিনি আরও বলেন, এলাকার জনগণ ভালোবাসে বলেই তারা আমাকে ভোট দিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য বানিয়েছে, কিছু মানুষ আমার জনপ্রিয়তা দেখে ইর্ষানিত হয়ে, আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অপ-প্রচার চালাচ্ছে।