রাজবাড়ী, ১৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, রোববার, ৪ ডিসেম্বর ২০২২

আশুলিয়ায় মিথ্যা মামলা দিয়ে যুবলীগ নেতাকে হয়রানীর চেষ্টা

প্রকাশ: ৪ জানুয়ারি, ২০২০ ৬:৫৮ : অপরাহ্ণ

প্রিন্ট করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক, আশুলিয়া:

আশুলিয়ায় অন্য পার্টনারদের সরিয়ে নিজে ব্যবসার সকল লভ্যাংশ ভোগ দখলের লক্ষ্যে ঝুঁট ব্যবসা দখলের মিথ্যা মামলা দিয়ে আশুলিয়া থানা যুবলীগের আহ্বায়ক ‘কবির হোসেন সরকারকে’ হয়রানি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

আশুলিয়ায় প্রতারক মাহফুজের প্রতারণার ফাঁদে পড়ে বিপাকে ব্যবসায়ীরা। তার ফাঁদে পড়ে ব্যবসা হারিয়েছেন অনেকে, আবার অনেকে হারিয়েছে লাখ-লাখ টাকা। তিনি ভ’য়া ব্যবসার আশ্বাসে অনেকের স্বর্বস্ব আত্মসাৎ করেছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। অন্যদিকে ব্যবসা আত্মসাতের উদ্দেশ্যে আশুলিয়া থানা যুবলীগের আহবায়ক মোঃ কবির হোসেন সরকারসহ ৮ যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে তাদেরকে হয়রানির চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে আশুলিয়া থানা যুবলীগের আহবায়ক মোঃ কবির হোসেন সরকার জানান, মাহফুজ আহম্মেদ একজন চিহ্নিত প্রতারক, কিন্তু এ বিষয়টি আমার আগে জানা ছিলোনা। সেবল টেক্স নামক কারখানার ঝুঁট ব্যবসায় আমি মাহফুজকে ম্যানেজার হিসেবে নিয়োগ দেই। পরে গত ৭/৮ মাস আগে ঐ কারখানার ঝুঁট ব্যবসা পরিচালনার জন্য থানা যুবলীগের অন্যতম সদস্য মোঃ ইলিয়াস, মোঃ নজরুল ইসলাম, লুতফর রহমান, ধামসোনা ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ছানোয়ার হোসেনসহ মাহফুজকে দ্বায়িত্ব দেই। এ সময় ব্যবসাটির একটি চুক্তিপত্র করা হয় মাহফুজের নামে। এরপর থেকে মাহফুজ তার প্রতারণা শুরু করে। অন্য পার্টনারদের সরিয়ে নিজে ব্যবসার সকল লভ্যাংশ ভোগ দখল শুরু করে। বিষয়টি আমাকে জানালে আমি মাহফুজকে সতর্ক করি। কিন্তু সে তার প্রতারণা অব্যাহত রাখে। তখন কারখানা কতৃপক্ষের সাথে কথা বলে মাহফুজের নামে সকল চুক্তিপত্র বাতিল করে দেওয়া হয়।

এতে ক্ষিপ্ত হয়ে গত বৃহস্পতিবার আশুলিয়া থানায় আমাকেসহ ৮ যুবলীগ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে হয়রানির চেষ্টা করছে। এছাড়াও মাহফুজ ব্যবসার কথা বলে চেকের মাধ্যমে অনেকের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে প্রতারণা করছে। ভুক্তভোগীরা এখন ব্যবসা তো দুরের কথা, আসল টাকা ফেরত না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ছেন। এ মিথ্যা অভিযোগ দায়েরের তীব্র নিন্দা ও ঘৃণা জানিয়েছেন আশুলিয়া থানা যুবলীগের নেতাকর্মীরা এবং সেই সাথে মাহফুজের প্রতারণামূলক কর্মকান্ডে বিরুদ্ধে দ্রæত আইনগত ব্যবস্থাসহ শাস্তির দাবি জানান তিনি।

এ বিষয়ে মাহফুজ আহম্মেদের মুঠোফোনে জানতে তাকে কয়েকবার ফোন করা হলেও তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।